পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

গত আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের পুঁজিবাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে প্রত্যাশা করেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। যদিও এরপর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও পুঁজিবাজারে প্রাণ ফিরে আসেনি।

গত আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের পুঁজিবাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে প্রত্যাশা করেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। যদিও এরপর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও পুঁজিবাজারে প্রাণ ফিরে আসেনি। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা গতকাল মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বেশকিছু দাবি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমআইএ) ব্যানারে গতকাল দুপুরে মতিঝিলের ডিএসই ভবনের সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। এ সময় সমাবেশে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংহতি জানান এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। সমাবেশে বিনিয়োগকারীরা ১১ দফা দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যানকে দ্রুত অপসারণ করে নতুন যোগ্য চেয়ারম্যান নিয়োগ করা, ক্যাপিটাল গেইন-ট্যাক্স সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, বাজারে অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ, জেড ক্যাটাগরিতে পাঠানোর বিধান সংস্কার, কোম্পানির আয়ের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা, মিউচুয়াল ফান্ড ও আইসিবির যে পরিমাণ বিনিয়োগ করার কথা সেটি শতভাগ কার্যকর করা, টাস্কফোর্সের সংস্কারগুলো গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবগত করা, কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ অবিলম্বে কার্যকর করা, অন্তত ১০টি মিউচুয়াল ফান্ড দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাজার বিনিয়োগ নিয়ে আসা, পরপর দুই বছর লভ্যাংশ প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পর্ষদ পুনর্গঠন এবং ফোর্স সেল বন্ধ করা।

আরও